how to start freelancing in bangladesh | Rubel hossain

How to start freelancing in bangladesh?

আমরা হয়তোবা অনেকেই জানি ফ্রিল্যান্সিং মানে লাখ লাখ টাকা ঘরে বসে ইনকাম করা. তবে এই কথাটি সবার জন্য সত্য না, আবার কিছু মানুষের জন্য সত্য। আজকেই এই বিষয়টি আপনাদেরকে খুব ভালো ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ – how to start freelancing in bangladesh।

সর্বপ্রথম বলবো ফ্রিল্যান্সিং শব্দের অর্থ, “ফ্রী (Free)” শব্দের অর্থ হলো মুক্ত, আর ল্যান্সিং শব্দটি অর্থ পেশা। আমি যদি একত্রে বলি তাহলে ফ্রিল্যান্সিং শব্দের আভিধানিক বাংলা অর্থ মুক্ত-পেশা।

 

What is freelancing? বিশ্লেষণ: 
ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টা আমি খুব সহজ ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করব, নিজের ভাষায় এটি কোন বইয়ের ভাষা না. হয়তোবা অনেকেই বুঝে ফেলেছেন ফ্রিল্যান্সিং শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ শুনে। হ্যাঁ এটি একটি মুক্ত পেশা, যার কাজের মধ্যে কোন বাধা নেই. আপনি চাইলে কাজ করতে পারেন, না চাইলে কাজটি বাদ দিতে পারেন। তবে সবক্ষেত্রেই বিষয়টি সত্য নয়.

এই বিষয়টি বোঝানোর আগ, কাজের প্রচেষ্টা কিভাবে হয় সে বিষয়টি বিশ্লেষণ করবো। ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ তা মূলত অনলাইনের মাধ্যমে করতে হয়, সেটি হতে পারে যেকোন দেশের কাজ. আর হ্যাঁ অবশ্যই আপনাকে ইংলিশে ভালো কমিউনিকেশন করার দক্ষতা থাকতে হবে. কারণ বেশিরভাগ ক্লাইন্ট ফরেন কান্ট্রি। যাদের সাথে কাজ করতে হলে ইংলিশে কথা বলতে হবে, তাই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হলে অবশ্যই ইংলিশে দক্ষতা অর্জন করাটা আবশ্যক।

আর এই কাজগুলো মূলত বিভিন্ন প্রকার ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করতে হয়, যেমন: (ফ্রিল্যান্সিং এর উল্লেখযোগ্য কিছু মার্কেটপ্লেসের নাম) upwork.com, Fiverr.com এন্ড freelancer.com ইত্যাদি। এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমেই ক্লায়েন্ট খুঁজে পাওয়া যায়। তবে আরও কিছু এডভান্স প্রসেস আছে, তার মাধ্যমে মার্কেট ছাড়াও ক্লায়েন্ট থেকে job নেওয়া সম্ভব, ( আরেকটা কোন ব্লগে এ বিষয়ে কথা বলব)।




এই মার্কেটপ্লেসগুলোর মাধ্যমে আমরা যখন কাজ করি তখন ওই মার্কেটপ্লেস দেরকে 20 শতাংশ কমিশন দিয়ে তারপর ক্লায়েন্টের কাছ থেকে আমাদের পেমেন্ট হাতে পায়। এটি একটি সুবিধা অথবা অসুবিধে বলা যেতেপারে। তবে নির্দিষ্ট একটি প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে যখন কাজ করা হয়, প্রতিনিয়ত তখন কাজের চাহিদা বাড়তে থাকে। এভাবেই একসময় বড় ফ্রিল্যান্সার হওয়া সম্ভব হয়.

উদাহরণস্বরূপ, আমরা যদি গরু হাঁটাতে গরু বিক্রি করতে যাই তাহলে সেখানে অনেক ক্রেতার সমাগম দেখতেপাই, তার ফলে আমাদের গরুটা খুব সহজেই বিক্রি হয়ে যায় এবং বিনিময় কিছু কমিশন গরু হাঁটার কমিটিদের দিয়ে হয়. তদ্রুপ ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে করলে দূরত্ব এবং বেশি কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এককথায় এখানে ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয় উপস্থিত থাকে, যার ফলে কাজের পরিমাণটা বেড়ে যায়। বলা-যায় গরুর হাট।

 

কোথা থেকে এবং কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবো?

এই স্টেপটি বুঝাতে হলে (Rubel hossain)আমি কয়টি পয়েন্টে বিভক্ত করে নিব, যার ফলে আপনাদের বুঝতে খুবই সহজ হবে. আমি যখন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছিলাম 16 সাল থেকে, তখন তেমন কোনো ফ্রি কন্টাক্ট পাওয়া যেত না. যার ফলে শিখতে এবং কাজ শুরু করতে অনেক কষ্ট ভোগ করতে হয়েছে। সেই বিষয়গুলো বিবেচনা করে, আজকের এই গল্পটি সহজ এবং সুন্দর করে সাজানোর চেষ্টা করতেছি। (how to start freelancing in bangladesh)

  1. ফ্রিল্যান্সিং সাবজেক্ট নির্ধারণ।
  2. কোথায় কাজ শিখব এন্ড কিভাবে শিখব?
  3. ফ্রী কাজ শিখবা নাকি প্রিমিয়াম কাজ শিখব?
  4. কাজ শিখতে কতদিন সময় লাগবে?

এখানে আরো অনেক বিষয় উল্লেখ করা যেত তবে অনেক সময়ের প্রয়োজন তাই উল্লেখ করলাম না. তবে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো নিচে আলোচনা করা হলো.

 

1. ফ্রিল্যান্সিং সাবজেক্ট নির্ধারণ:

আপনারা ইতিমধ্যে জানেন, আমরা যখন ইউনিভারসিটিতে অথবা কলেজ লেভেলে যখন পড়ালেখা করতে চাই তখন আমাদের নির্দিষ্ট একটি সাবজেক্ট বেছে নিতে হয়. সেই সাবজেক্টের উপর আমাদের পড়ালেখা শেষ করতে হয়. ঠিক তদ্রুপ ফ্রিল্যান্সিং জগতে অনেকগুলো স্ট্র্যাটিজি এবং সাবজেক্ট আছে, সেগুলো প্রাথমিক অবস্থায় আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে,

SO এখানে আমি একটি কথা বলে রাখি, অবশ্যই আপনার ভালোলাগার সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে. যে সাবজেক্ট নিয়ে আপনি কাজ করতে আনন্দ পাবেন, ঠিক সে ধরনের সাবজেক্ট পছন্দ করবেন। (how to start freelancing in bangladesh)

নিচেই আমি কিছু সাবজেক্টের নাম আমি বলে দিচ্ছি, সেটি আপনি পছন্দ করতে পারেন তারপর ওই সাব্জেক্ট নিয়ে ইউটিউবে রিচার্জ করবেন, তাহলে হাজার হাজার ইউটিউব বাংলা কনটেন্ট পেয়ে যাবেন, সেখান থেকে প্রত্যেকটি সাবজেক্টে ক্লিয়ার ধারণা অর্জন করবেন।

সাবজেক্ট সিলেক্ট করার সময় অবশ্যই নিজের ভালো লাগা কে বেশি প্রাধান্য দেবেন। অন্যের ইনকাম দেখে অথবা বুদ্ধি শুনে কখনোই এলোমেলো সাবজেক্ট নির্ধারণ করবেন না. তাহলে আপনি অনেক কিছুতে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। অযথা আপনার সময় নষ্ট হবে এবং কাজের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হবে না.

আর কাজের প্রতি যদি ভালোবাসা তৈরি করতে না পারেন তাহলে কখনোই ওই কাজ থেকে ভালো কিছু আশা করা সম্ভব না. তাই আবারও বলছি, অবশ্যই নিজের ভালো-লাগা সাবজেক্ট পছন্দ করবেন। প্রয়োজন হলে, এক সপ্তাহ ধরে রিচার্জ করতে থাকুন। how to start freelancing in bangladesh.




2.কোথায় কাজ শিখব এন্ড কিভাবে শিখব?:

আমি ধরে নিলাম আপনার সাবজেক্ট নির্ধারণ কমপ্লিট, এখন আসুন কিভাবে কাজ শুরু করবেন সে বিষয়ে মনোযোগ সহকারে-শুনুন:

প্রত্যেকটা বিষয়ই এর বেসিক কিছু নিয়মকানুন থাকে, ঠিক তদ্রুপ আমি উপরের যে সাবজেক্ট এর লিস্ট করে দিয়েছি সেই সাবজেক্ট এর প্রত্যেকটি তে বেসিক থেকে শুরু করে এডভান্স পর্যন্ত অনেক স্ট্র্যাটেজি এর মধ্যে আছে. (how to start freelancing in bangladesh)

So, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই আমার মতামত আপনি প্রাথমিক অবস্থায় ইউটিউব থেকে ওই সেই আপনার পছন্দের কাঙ্খিত সাবজেক্টের বেসিক ক্লাসগুলো শেষ করেন, then পরবর্তীতে আপনি নিজেই অনুভব করতে পারবেন আপনার এখন কি প্রয়োজন।

তবে অবশ্যই বেসিক ক্লাস ইউটিউব থেকে শিখে নেবেন। আর হ্যাঁ, আশা করি আপনার কাংখিত সাবজেক্ট ইউটিউবে বাংলা ভিডিও পেয়ে যাবেন। আর যদি না পান তাহলে আমাদের সাথে কন্টাক করতে পারেন, আপনাকে সাহায্য করা হবে.

 

3. ফ্রী কাজ শিখবা নাকি প্রিমিয়াম কাজ শিখব?

এই স্টেপে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে খুবই মনোযোগ সহকারে বোঝার চেষ্টা করেন। আসলে Real যারা বড় মাপের ফ্রিল্যান্সার তাদের সময়ের খুবই অভাব, কারণ তারা সর্বক্ষণই নিজেদের প্রজেক্ট নিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকে, অন্যের বিষয় নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার সময় তাদের হাতে থাকে না,

এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত না, আমি এটা নিয়ে অনেক রিসার্চ করে দেখেছি। সব থেকে বড় কথা আমি যদি নিজের কথাই বলতে চাই ঠিক আমার ক্ষেত্রেও সেম বিষয়। আমি যে কন্টাক্ট এখন লেখতেছি এটি অনেক কষ্ট করে সময় নির্ধারণ করা পর.

যাই হোক সর্বশেষ একটি কথা, ফ্রি ক্লাস গুলো সম্পন্ন করার পর অবশ্যই একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার কাছ থেকে একটি ভালো ট্রেনিং গ্রহণ করা উচিত এবং সেখান থেকে অবশ্যই ভালো কিছু শিখতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই ভালো ফ্রিল্যান্সার সিলেক্ট করবেন। এলোমেলো কারুকাজ কাছে চলে যাবেন না অযথা সময় নষ্ট হবে. (how to start freelancing in bangladesh)

আমি ব্যক্তিগতভাবে কোন কোচিং সেন্টার পছন্দ করি না, কারণ তারা শুধু বিজনেস পারপাস কোচিং করাতে থাকে নির্দিষ্ট কিছু সিলেবাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। সেজন্য সেখান থেকে ভালো কিছু শেখাটা আশা করা যায় না. আমার ব্যক্তিগত মতামত অবশ্যই সিঙ্গেল ব্যক্তির কাছ থেকে যে কোন মাধ্যমে তাকে কনভেন্স করে শেখার চেষ্টা করবেন।

4. কাজ শিখতে কতদিন সময় লাগবে?

এই বিষয়টি সম্পূর্ণ আপনার উপরে নির্ভর করবে, কারণ আপনি যখন কাজ শেখা শুরু করবেন অবশ্যই ভালো কিছু করার জন্য শুরু করছেন। (Am i Right?) তবে এখানে আপনি যদি কাজ শিখতে গিয়ে শিক্ষকের ইনস্ট্রাকশন ছাড়া অন্য কিছু করেন বা এড়িয়ে যান তাহলে অবশ্যই আপনি পিছিয়ে পড়বেন। (how to start freelancing in bangladesh)

সে ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে, আপনার শিক্ষক যেভাবে আপনাকে step-by-step শেখাবে অবশ্যই আপনাকে সেভাবে শিখতে হবে. তাহলে আপনি কাঙ্খিত সময়ের মধ্যে আপনার গোল পৌঁছাতে সক্ষম হবেন।

 

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.